বাঁধের কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা
৭৪ শতাংশ কাজ সম্পন্নের দাবি পাউবো’র
স্টাফ রিপোর্টার ::
২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা) নীতিমালার আলোকে সুনামগঞ্জ জেলার হাওর এলাকার ডুবন্ত বাঁধ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের বাস্তবায়নকল্পে পিআইসি কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভায় জানানো হয়, জেলার ১২টি উপজেলায় প্রস্তাবিত প্রকল্পের বাস্তব কাজের গড় অগ্রগতি রবিবার পর্যন্ত ৭৪.২৪ শতাংশ এবং ক্লোজারের (বাঁধের ভাঙা মুখ) কাজ স¤পন্ন হয়েছে ৮০.৩৪ শতাংশ।
সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় মোট ৭১০টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পের আওতায় সর্বমোট ৬০৯.৪৬৪ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ ও মেরামত করা হচ্ছে। এসব কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৪৬ কোটি টাকা।
পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাঁধ মেরামতের কাজে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ ও পরিধি ধর্মপাশা এবং শাল্লা উপজেলায়।
ধর্মপাশা উপজেলায় ১২৩.৪৯৮ কি.মি. বাঁধের বিপরীতে ৯৩টি স্কিম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কাজের অগ্রগতি ৭৪.৫০ শতাংশ। শাল্লা উপজেলায় ৮৬.৭৭৪ কি.মি. বাঁধের জন্য ১২৭টি স্কিম নেওয়া হয়েছে। কাজের অগ্রগতি ৭৫ শতাংশ।
দিরাই উপজেলায় ১২৬টি স্কিমের মাধ্যমে ৯৪.২৯৮ কি.মি. বাঁধ মেরামতের কাজ চলছে, যার অগ্রগতি ৭৫ শতাংশ। সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় ১৭টি স্কিমে কাজ চললেও এর অগ্রগতি তুলনামূলক কম। এই উপজেলায় রবিবার পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি ৬৬ শতাংশ।
সভায় জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পিআইসি (প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি) সংশ্লিষ্টদের তদারকি বাড়ানোর নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া। এসময় তিনি ক্লোজার বা গুরুত্বপূর্ণ ভাঙা মুখগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
হাওর বাঁচাও আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ স¤পাদক বিজন সেন রায় বলেন, হাওরে এখন পর্যন্ত ৪০ শতাংশ কাজ স¤পন্ন হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বাড়িয়ে বলছে, বাস্তবে তাদের দেওয়া তথ্যের সাথে মিল নেই।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
